২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার

আফ্রিদির ‘পিচ-টেম্পারিংয়ের’ সঙ্গী ছিলেন মালিক!

- Advertisement -

পাকিস্তানের কিংবদন্তি তারকা শহীদ আফ্রিদি ক্রিকেট ক্যারিয়ারে অসংখ্য রেকর্ড যেমন গড়েছেন, তেমনি বিতর্কের জন্মও দিয়েছেন। ২০০৫ সালে ফয়সালাবাদে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পিচ-টেম্পারিংয়ের ঘটনা অন্যতম, যে কারণে একটি টেস্ট এবং দুটি ওয়ানডেতে নিষিদ্ধও হয়েছিলেন আফ্রিদি। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।

ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়ামে খেলা চলাকালীন গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর

পাকিস্তানি গণমাধ্যম ‘সামা টিভি’-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে আফ্রিদি বর্ণনা করেছেন, কীভাবে তিনি পিচ-টেম্পারিং করেছিলেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ফয়সালাবাদে বাউন্ডারি প্রান্তে ড্রিংকস ডিসপেনসারের ভিতরে একটি গ্যাস সিলিন্ডারে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ হয়।

ইংল্যান্ডের ইনিংসের ২৯তম ওভারের সময় এজাজ আহমেদ জুনিয়র স্ট্যান্ডের কাছে বিস্ফোরণটি ঘটে, ইংল্যান্ডের স্কোর তখন ২ উইকেটে ৯২। ম্যাচটি প্রায় দশ মিনিট ধরে চলে। খেলোয়াড়রা মাঠ ছেড়ে না গেলেও নিরাপত্তা কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে পিচ ঘেরাও করে ফেলেন। হুড়োহুড়ির মধ্যে সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়েই জুতার স্পাইক দিয়ে পিচ নষ্ট করেন আফ্রিদি। পাশাপাশি দাবি করেন, এটি করার আগে তিনি পাকিস্তানি তারকা শোয়েব মালিকের সাথে কথাও বলেছিলেন।

“এটা একটা ভালো সিরিজ ছিল। সেই টেস্ট ছিল ফয়সালাবাদে। বিশ্বাস করুন, এটি একটি টেস্ট ছিল। সেই উইকেটে বল না টার্ন করছিল, না কোন সুইং বা সীম পাচ্ছিল। এটি বেশ বিরক্তিকর হয়ে উঠছিল। আমি আমার পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করছিলাম এবং কিছুই ঘটছিল না। এরপর হঠাৎ একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সবাই বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। আমি মালিককে বলেছিলাম, আমি এই পিচে খুব খারাপভাবে একটি প্যাচ তৈরি করতে চাই। আমি চাই বল টার্ন করুক!”-বলছিলেন আফ্রিদি

“জবাবে শোয়েব মালিক বলল, ‘করো, কেউ দেখছে না। তাই আমি এটা করেছি! এবং তারপর, যা ঘটেছে তা ইতিহাস। যখন আমি এটির দিকে ফিরে তাকাই, তখন বুঝতে পারি এটি একটি ভুল ছিল,” আফ্রিদি আরও বলেন

২০১০ সালে বল টেম্পারিং করতে গিয়ে ধরা পড়েন আফ্রিদি

এ ঘটনার পরেও ২০১০ সালে পার্থের ওয়াকাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এক ম্যাচে বল টেম্পারিংয়ের জন্য দোষী সাব্যস্ত হন শহীদ আফ্রিদি। মোহাম্মদ ইউসুফের অধিনায়কত্বে থাকা আফ্রিদি টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েন বল কামড়াতে। টিভি আম্পায়ার অন-ফিল্ড আম্পায়ারদের কাছে বিষয়টি জানিয়েছিলেন এবং আফ্রিদির সাথে কথা বলার পর আম্পায়াররা বল পরিবর্তন করেন। পরবর্তীতে দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্যও নিষিদ্ধ হন।

 

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -

সর্বশেষ

- Advertisement -
- Advertisement -spot_img