৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, শুক্রবার

জাতীয় ক্রিকেট লিগ: দুইদিনেই শেষ চট্টগ্রাম-বরিশাল ম্যাচ!

- Advertisement -

প্রথম রাউন্ডে সিলেট বনাম ঢাকা ম্যাচটি তাও টেনেটুনে তৃতীয় দিনে গিয়েছিল, তবে ২৩তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে দুইদিন পুরো না শেষ হতেই ফলাফল চলে এসেছে চট্টগ্রাম বনাম বরিশাল বিভাগের ম্যাচে। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চট্টগ্রামকে ৭৮ রানে হারিয়ে জয় তুলে নিয়েছে বরিশাল।

দুইদিনে খেলা হয়েছে মোট ১৬৩ ওভার ৬ বল, তাতেই পড়েছে ৪০টি উইকেট। প্রথম দিন টসে জিতে ব্যাটিং নিয়ে হাসান মুরাদ ও নাঈম হাসানের স্পিনে ১৪৬ রানে অলআউট হয় বরিশাল। মুরাদ নিয়েছেন ২৬ রানে ৫ উইকেট, নাঈম নেন ৪৫ রানে ৪ উইকেট। বরিশালের হয়ে রাফসান আল মাহমুদের ৬০ ও মইন খানের ৪৫ ব্যতীত দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন মাত্র একজন- ফজলে রাব্বী (১২)।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে বিকেলের মধ্যেই মাত্র ৮৭ রানে অলআউট হয় চট্টগ্রাম। হ্যাটট্রিক করে ধ্বংসযজ্ঞের শুরুটা করেন মোহাম্মদ আশরাফুল। ৮ম ওভারে টানা তিন বলে সাদিকুর রহমান, মাহমুদুল হাসান জয় ও ইয়াসির আলী চৌধুরীর উইকেট তুলে নেন জাতীয় দলের সাবেক এই তারকা; ইনিংসে পেয়েছেন ৫৩ রানে ৫ উইকেট। আরেকজন স্পিনার মনির হোসেনও ৫ উইকেট পেয়েছেন মাত্র ১৫ রানে। চট্টগ্রামের ইনিংস শেষের সাথে সাথে সেখানেই দিনের খেলার শেষও ঘোষণা করে দেন আম্পায়ার।

মোহাম্মদ আশরাফুল নিয়েছেন ৫ উইকেট

সোমবার সকালে তৃতীয় ইনিংসে বরিশালের ব্যাটিং লাইনআপে আবারো আঘাত হানেন নাঈম হাসান ও হাসান মুরাদ। এবারে নাইম তুলে নেন ৫ উইকেট, মুরাদ পান ৪ উইকেট। মাত্র ৩৬ ওভার খেলে বরিশাল অলআউট হয় ১৩৯ রানে। লেজের দিকে মনির হোসেন (৩০) ও কামরুল ইসলাম রাব্বির (২৬) প্রতিরোধ ছাড়া বোধহয় এতোটুকুও হত না। চট্টগ্রামের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৯৯ রান।

তবে এই পিচে এই লক্ষ্য তাড়া করা যে কতো দুরূহ তা বোধহয় চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানরাও জানতেন, আরো ভালো করে টের পাওয়ালেন বরিশালের বোলাররা। আশরাফুল, মনির হোসেন ও সোহাগ গাজীর সম্মিলিত স্পিন আক্রমণে ৩৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা চট্টগ্রাম সামান্য আশার আলো দেখছিলো অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দুই ব্যাটসম্যান পারভেজ হোসেন ইমন ও শাহাদাত হোসেন দিপুর ব্যাটে। তবে ব্যক্তিগত ৪৬ রানে পারভেজের বিদায়ের পর চট্টগ্রামের প্রতিরোধ আর টেকেনি বেশিক্ষণ। বিকেলের সেশন শেষ হওয়ার আগেই সবকটি উইকেট হারিয়ে চট্টগ্রাম করতে পারে মাত্র ১২০।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

বরিশাল ১ম ইনিংস- ৫৮.৩ ওভারে ১৪৬/১০ (রাফসান ৬০, মইন ৪৫; মুরাদ ৫/২৬, নাঈম ৪/৪৫)

চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস- ২৯.৩ ওভারে ৮৭/১০ (ইরফান ২০, ইমন ১৭; আশরাফুল ৫/৫৩, মনির ৫/১৫)

বরিশাল ২য় ইনিংস- ৩৬ ওভারে ১৩৯/১০ (মনির ৩০, কামরুল ২৬; নাঈম ৫/৭৪, মুরাদ ৪/৪০)

চট্টগ্রাম ২য় ইনিংস- ৫০ ওভারে ১২০/১০ ( ইমন ৪৬, নাঈম ২০; মনির ৩/৩৩, আশরাফুল ২/২১, গাজী ২/৪২, কামরুল ২/৯)

 

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -

সর্বশেষ

- Advertisement -
- Advertisement -spot_img