বলটা গুড লেংথে পিচ করলো, আবদুল্লাহ শফিক টার্নের কথা ভেবে সামনের পায়ে ভর দিয়ে খেলতে গেলেন। তবে কোণাকুণি অ্যাঙ্গেলে ব্যাট প্যাডের ফাঁক দিয়ে ঢুকে গিয়ে স্ট্যাম্প ভেঙ্গে দিলো।
পরের বলটি নিচু হলো, আবিদ আলী কাট করতে চাইলেন। কিন্তু ইনসাইড এজ হয়ে আবারো স্ট্যাম্প ছত্রখান।
যে দুটি ডেলিভারির কথা বলছি, ঢাকা টেস্টের প্রথম সেশনে তাইজুল ইসলামের টানা অসাধারণ বোলিংয়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল দুটি বিজ্ঞাপন। যে বোলিংয়ের কল্যাণে লাঞ্চের আগেই দুজন পাকিস্তানি ওপেনার ফিরে গেছেন প্যাভিলিয়নে।
সেইসাথে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন অনেকদিন পর টেস্ট একাদশে ফেরা সাকিব আল হাসান। উইকেট না পেলেও সাকিব একপ্রান্ত থেকে চাপ দেওয়া অব্যাহত রেখেছেন। যদিও একটি রিভিউ নিয়ে বিফল হয়েছেন। আরেকটি রিভিউ তাইজুলেরও বিফলে গেছে। ব্যাটে হালকা স্পাইক থাকার পরও ব্যাটসম্যানের পক্ষে গেছে বেনিফিট অব দা ডাউট।
৭৮/২ স্কোর নিয়ে লাঞ্চে গেছে পাকিস্তান। উইকেটে আছেন আজহার আলী ও বাবর আজম।


