বাবর আজম যখন আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরছিলেন তখন পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান। পাকিস্তান অধিনায়ক ফেরার পর যেন তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পড়েছে তাদের ব্যাটিং লাইন আপ। ১৬ রানের মধ্যেই চার উইকেট হারিয়ে দুইশোর আগে অলআউট হওয়ার শঙ্কা জেগেছিল। যদিও হাসান আলি চেষ্টা করেছিলেন। তাতেও খুব একটা কাজ হয়নি ১৯১ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান।
দলীয় ৪১ রানে আব্দুল্লাহ শফিক আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরার পর, রাজ্যের চাপ নিয়ে উইকেটে আসেন বাবর আজম। রাজ্যের চাপ কেনো বলছি, গত কয়েক ম্যাচে রান পাননি পাকিস্তান অধিনায়ক। তাতেই চার দিকে শুরু হয়েছিল সমালোচনা। যার জবাব দিতে ভারত ম্যাচকে বেছে নিলেন বাবর।
রোহিত শর্মার দলের বিপক্ষে ফিফটির দেখা পেয়েছেন সময়ের অন্যতম সেরা এ ব্যাটার। মোহাম্মদ সিরাজের বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে খেলেছেন ৫৮ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ৫০ রানের ইনিংস। সেই সাথে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে সঙ্গে নিয়ে গড়েছেন ১০৩ বলে ৮২ রানের জুটি।
এরপরই ঘটে ছন্দপতন, বাবর প্যাভিলিয়নে ফেরার পর বড় ধাক্কা খেয়েছে পাকিস্তান। দ্রুত আউট হয়েছেন সৌদ শাকিল ও ইফতিখার আহমেদ। দুজনের ব্যাট থেকে এসেছে যথাক্রমে ৬ ও ৪ রান। এরপর ৪৯ রান করা রিজওয়ানকে বোল্ড করে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা দেন জাসপ্রিত বুমরাহ। উইকেট কিপার ব্যাটার প্যাভিলিয়নে ফেরার পর মোহাম্মদ নেওয়াজ-শাদাব খানরা তেমন কিছুই করতে পারেননি।
এর আগে ওপেনিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করেছিলেন আব্দুল্লাহ শফিক ও ইমাম-উল-হক। তবে দুজনে ফিরেছেন ইনিংস বড় করতে না পারার হতাশা নিয়ে। শফিকের ব্যাট থেকে এসেছে ২০ রান। ইমাম করেছেন ৩৮ বলে ৩৬ রান।
ভারতের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ সিরাজ, হার্দিক পান্ডিয়া, কুলদ্বীপ যাদব ও রবীন্দ্র জাদেজা।