২৮ জানুয়ারি ২০২৩, শনিবার

‘প্রতিশোধ’ এর ম্যাচে পাকিস্তানের ভালো শুরু

- Advertisement -

ভারত যদি ‘চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী’ হয়, নিউজিল্যান্ডকে কি পাকিস্তানের ‘নব্য প্রতিদ্বন্দ্বী’ বলা যাবে?

সাম্প্রতিক নিউজিল্যান্ডের সিরিজ বাতিলের ঘটনায় পাকিস্তানের ক্রিকেটাঙ্গন ও সাধারণ জনগণের মধ্যে যে ক্ষোভের আগুন বিচ্ছুরিত হতে দেখা গেছে, তাতে বিশ্বকাপে কিউইদের বিপক্ষে জয়টিকে ভারতের সমান না হলেও যথেষ্ট মহার্ঘ্যই বিবেচনা করছিলো পাকিস্তান। সেই ‘প্রতিশোধ’ এর পথে এখনো পর্যন্ত ভালোভাবেই এগোচ্ছে পাকিস্তান। শারজাহর মন্থর পিচ ও পাকিস্তানি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৩৪ রান সংগ্রহ করেছে নিউজিল্যান্ড।

ম্যাচ শুরুর আগেই নিউজিল্যান্ড শিবির থেকে আসে দুঃসংবাদ। কাফের ইঞ্জুরিতে লকি ফার্গুসনের বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেছে। এই দুঃসংবাদের বোঝা মাথায় নিয়ে টস করতে নেমেছিলেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। অপরদিকে বাবর আজম নেমেছিলেন দুইদিন আগেই ভারতের বিপক্ষে বিশাল জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে।

শারজাহর মন্থর উইকেটে টসে জিতে বোলিং নেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। প্রথম ১০ ওভারেই বাবর ব্যবহার করেন ৬জন বোলার। হাসান আলীর খরুচে ওভারটি বাদে বাকিসব বোলারই দিয়েছেন অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান; পাকিস্তানে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৫৬ রানেই নিউজিল্যান্ড হারিয়ে ফেলে তিন উইকেট। হারিস রউফের বল মার্টিন গাপটিলের পায়ে লেগে স্ট্যাম্প ভেঙ্গে দেয়; গাপটিল আউট হন ১৭ রানে। ইমাদ ওয়াসিম নেন ড্যারিল মিচেলের উইকেট, জিমি নিশামকে নামার প্রায় সাথে সাথেই প্যাভিলিয়নে ফেরান মোহাম্মদ হাফিজ।

এরপর অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও ডেভন কনওয়ে নিউজিল্যান্ডের রানরেটের হতশ্রী অবস্থা থেকে উত্তোলন করার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু ২৫ রান করে উইলিয়ামসন রানআউট হওয়ার পর নিউজিল্যান্ডের ইনিংস আর গতিই পায়নি। ১৮তম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন হারিস রউফ; তুলে নেন ডেভন কনওয়ে আর গ্লেন ফিলিপসের উইকেট।  শেষ ওভারের শেষ বলে তুলে নেন মিচেল স্যান্টনারকেও। সব মিলিয়ে ২২ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন এই পেসার; ইকোনমি রেট ৫.৫০।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউজিল্যান্ড- ২০ ওভারে ১৩৪/৮ (মিচেল ২৭, কনওয়ে ২৭, উইলিয়ামসন ২৫; রউফ ৪/২২ )

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -

সর্বশেষ

- Advertisement -
- Advertisement -spot_img