২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, মঙ্গলবার

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল জিতছে কে?

- Advertisement -

চবিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের শেষ দিন ছড়াচ্ছে রোমাঞ্চ। আপাতদৃষ্টিতে ড্রই সম্ভাব্য ফল মনে হলেও নিউজিল্যান্ড বোলাররা অসাধারণ কিছু করে দেখালে প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়ন হয়ে যেতে পারে কিউইরা; উড়িয়ে দেয়া যায়না ভারতের সম্ভাবনাও। ম্যাচের রেজাল্ট আনতে দুদল শেষদিনে সময় পাবে ৯৮ ওভার।

 

সাদাম্পটনের রোজবোল স্টেডিয়ামে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের রিজার্ভ ডের খেলা শুরু হবে বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে তিনটায়। ৫ দিনের খেলা শেষে ৪৫০ ওভার হওয়ার কথা থাকলেও এই টেস্টে হয়েছে মোটেই ২২১.৩ ওভার। বাঁকি সময়ের খেলা বৃষ্টি ধুয়ে দিলেও যতক্ষন এই দুই দল মাঠে লড়েছে তা ছিল সকল ক্রিকেটপ্রেমীর জন্য এক কাপ ধোঁয়া ওঠা গরম চায়ের মতোই উপভোগ্য।

পঞ্চম দিন শেষ সেশনে নিউজিল্যান্ডের চেয়ে ৩২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছিল ভারত। দিনশেষে তারা নিজিল্যান্ডের চেয়ে ৩২ রান এগিয়ে আছে এবং হাতে রয়েছে আরও ৮ উইকেট। শেষ দিন ২ উইকেটে ৬৪ রান নিয়ে মাঠে নামবে ভারত; দিনের খেলা শুরু করবেন অধিনায়ক ভিরাট কোহলি এবং চেতশ্বর পুজারা।

এর আগে মোহাম্মদ সামির অসাধারণ বোলিং নিউজিল্যান্ডকে গুটিয়ে দেয় ২৪৭ রানেই। ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন সামি; ইশান্ত শর্মা পান ৩ উইকেট। নিউজিল্যান্ড ইনিংসের সর্বোচ্চ রান আসে ডেভন কনওয়ের ব্যাটে। কনওয়ের ৫৪রানের সাথে অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন খেলেন ১৭৭ বলে ৪৯ রানের ম্যারাথন ইনিংস।

শেষদিনে কিউই পেসার টিম সাউদি ও কাইল জেমিসনকে সামলানোই ভারতের ব্যাটসম্যানদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। জেমিসন প্রথম ইনিংসে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট আর দ্বিতীয় ইনিংসের দুটি উইকেটই পেয়েছেন সাউদি।

শেষ দিনে ম্যাচ বাঁচানোর জন্যই খেলার কথা ভারতের; কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জিতে আসা ভারতীয়রা যদি এই ম্যাচেও জয়ের লক্ষ্যে শেষ দিন মাঠ নামে তবে খুব বেশি অবাক হওয়ার থাকবেনা। কেননা, জয়ের ক্ষুধাই এই ভারতীয় দলকে অন্য সব দলের চেয়ে আলদা করেছে। সেক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে বড় হুমকি হবে ৭১ স্ট্রাইক রেটে টেস্ট খেলা উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান রিশাভ পান্থ।

প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের শিরোপা উঠবে কার হাতে তা এখনো নিশ্চিত না হলেও টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ম্যাচে বৃষ্টির বাগড়া যে সাধারণ দর্শকদের হতাশ করেছে তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। ২ বছরের অপেক্ষার পর ফাইনাল ম্যাচটি নির্বিঘ্ন করতে আইসিসি বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নিতে পারতো কিনা সেই প্রশ্নও থেকে যায় ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -

সর্বশেষ

- Advertisement -
- Advertisement -spot_img