২৮ জানুয়ারি ২০২৩, শনিবার

মিঠুনের শতকের দিনে এইচপি-‘এ’ দলের ম্যাচ ড্র

- Advertisement -

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ‘এ’ দল এবং এইচপি দলের মধ্যকার দ্বিতীয় চারদিনের ম্যাচটি ড্র হয়েছে। মোহাম্মদ মিঠুনের শতক এবং ইয়াসির রাব্বির ৮৬ রানের ইনিংসে এইচপি দলের সামনে ৩৬৬ রানের লক্ষ্য দাড় করায় মমিনুল হকের দল। জবাবে ব্যাট করতে নেমে এইচপি দলের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৪৮। খেলায় জয় পরাজয়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ দেখে দুই দলই ড্র মেনে নিয়েই মাঠ ছাড়েন।

এই শতক ভবিষ্যতে সহযোগিতা করবে মনে করেন মিঠুন

দ্বিতীয় দিনে ৮ উইকেটে ২৩৭ রানের সুবাদে ‘এ’ দলের বিপক্ষে ৬ রানের লিড নিয়েছিল এইচপি দল। সেই লিড আর ১ রানও না বাড়িয়ে শুক্রবার সকালের সেশনের শুরুতেই বিদায় নেন এইচপি দলের শেষ দুই ব্যাটসম্যান হাসান মুরাদ ও তানভির ইসলাম। ২৩৭ রানেই শেষ হয় এইচপি দলের প্রথম ইনিংস। ‘এ’ দলের বাঁহাতি স্পিনার রকিবুল হাসান নেন ৬০ রানে ৫ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে নাজমুল হোসেন শান্তর ৪৭, সাদমান ইসলামের ৪৯, মমিনুল হকের ৩০ রানে বড় সংগ্রহের দিকে এগোয় ‘এ’ দল। ৬৫ এবং ৪৬ রানে অপরাজিত থেকে ২৫২ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেন ইয়াসির রাব্বি এবং মোহাম্মদ মিঠুন।

চতুর্থ এবং শেষ ইনিংসে রাব্বি নিয়েছেন দুর্দান্ত ক্যাচ

শতকের খুব কাছে গিয়েও মুকিদুল ইসলামের দুর্দান্ত বলে বোল্ড হয়ে ৮৬ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফিরে গেছেন রাব্বি। আউট হয়ে কিছুক্ষণ বসে ছিলেন পিচেই, যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না আউট হয়ে গেছেন যে, ফিরতে হবে ড্রেসিং রুমে! রাব্বি ফিরে গেলেও নিজের ইনিংসটাকে এগিয়ে নিয়েছেন মিঠুন; ধৈর্যের সাথে খেলে গেছেন প্রতিটা বল। রানে ফেরার ইঙ্গিতটা দিয়েছিলেন তৃতীয় দিনেই, চতুর্থ দিনে এসে তুলে নিলেন শতকটাও। জাতীয় দলে জায়গা নিয়ে যখন শঙ্কা জন্মেছে, তখন এইচপি দলের বিপক্ষে এই পারফরম্যান্স আত্মবিশ্বাস যোগাবে মিঠুনকে। ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন মিঠুন, ইরফান শুকুরের ব্যাট থেকে আসে ৩৭। ইনিংস ঘোষণা করার আগে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩৭১।

রাহির দুর্দান্ত ইয়র্কারে ড্রেসিং রুমে ফিরেছেন জয়

৩৬৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই তানজিদ হাসান তামিমকে হারায় এইচপি দল; ব্যক্তিগত রানের খাতা না খুলতেই নাঈম হাসানের বলে স্লিপে রাব্বিকে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন তামিম। এরপর মাহমুদুল হাসান জয়কে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন আরেক ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। দুজনে মিলে গড়েন ৪৭ রানের জুটি; ব্যক্তিগত ২৫ রানে আবু জায়েদ রাহির দুর্দান্ত ইয়র্কারে ড্রেসিংরুমে ফেরেন জয়। শাহাদাত হোসেন ব্যাটিংয়ে এসেই শুরু করেন আক্রমণাত্মক ব্যাটিং; তারই ধারাবাহিকতায় ব্যক্তিগত ৪৩ রানে নাঈমকে তুলে মারতে গিয়ে মমিনুলের তালুবন্দি হন ইমন। শাহাদাত অপরাজিত থাকেন ৪৪ রানে, তৌহিদ হৃদয় করেন অপরাজিত ২৭ রান।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -

সর্বশেষ

- Advertisement -
- Advertisement -spot_img