২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, বৃহস্পতিবার

মুন্নার প্রস্থানের ১৬ বছর আজ

- Advertisement -

আমরা ভুলে গেছি মোনেম মুন্নার কথা। বাংলাদেশে ভুলক্রমে জন্মানো মোনেম মুন্না। না কথাটা কোনো উড়ে আসা কথা না। কথাটা বলেছিলেন জাতীয় দলের সাবেক জার্মান কোচ অটো ফিস্টার। সেই ফিস্টার যে কিনা ঘানাকে জিতিয়েছিলো যুব বিশ্বকাপ, টোগোকে খেলিয়েছিলেন বিশ্বকাপের মূলপর্ব।

১৯৮৪। সালটা স্মরনীয় মুন্না ভক্তদের কাছে। সেই বছরই প্রথম পেশদার লিগে নাম লেখান তিনি। ২ বছর মুক্তিযোদ্ধা, ১ বছর ব্রাদার্স ইউনিয়নের হয়ে খেলার পর গায়ে জড়ান বাংলাদেশ গর্বের জার্সি। তারপর ১৯৮৭ সালে যোগ দেন আকাশী নীল শিবিরে। আস্তে আস্তে হয়ে উঠেন পরিনত স্টপার। ভক্তদের কাছে পরিচিতি পান ‘কিংব্যাক’ নামে।

১৯৯১ সালে উপমহাদেশের রেকর্ড ২০ লক্ষ টাকায় চুক্তি করেন আবাহনীর সাথে। সেই বছরই ইস্টবেঙ্গল এর কোচ নাইমুদ্দিন তাকে ভারতের খেলার প্রস্তাব দেয়। আস্তে আস্তে ভারতেও পরিচিতি পেতে থাকেন তিনি। হয়ে যান ইস্টবেঙ্গল স্টার। ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত একটানা খেলেছেন জাতীয় দলে। তার মধ্যে পালন করেন দলের অধিনায়কের দায়িত্ব। মায়ানমারে হওয়া ৪ দলের টুর্নামেন্ট ছিল বাংলাদেশের জয় পাওয়া প্রথম কোন টুর্নামেন্ট।

এমন অনেক প্রথমেরই স্বাক্ষী ছিলেন মুন্না। কিন্তু আমাদের হয়তো মনে নেই শতাব্দীর সেরা এই বাংলাদেশী ফুটবলারের কথা। খুব তাড়াতাড়ি ভুলে গেছে বাংলাদেশ। সেই অভিমানেই হয়তো নতুন কোন মোনেম মুন্নার পায়ে কেঁপে উঠে না দেশীয় ফুটবল। ওপারে ভালো থাকুক মোনেম মুন্না। আমি, বাংলাদেশ আরো কয়েক শতাব্দী হয়তো হারিয়ে খুঁজবো আমাদের ফুটবল’কে, হারানো অতীত’কে।

 

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -

সর্বশেষ

- Advertisement -
- Advertisement -spot_img