NCC Bank
- Advertisement -NCC Bank
১৪ আগস্ট ২০২২, রবিবার

হার দিয়ে শুরু, জয়ে শেষ ‘অধিনায়ক’ কোহলির

- Advertisement -

সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বকাপে ভারতের অর্জনের ছিল না কিছুই, তবুও নিয়ম রক্ষার্থে নামিবিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামা ভিরাট কোহলির দলের। পুরো খেলা জুড়েই নিজেদের হতাশাটা লুকিয়ে খেলার চেষ্টা করলেও কতোটুকু পেরেছে আসলে কোহলিরা তা বেশ ভালোভাবেই চোখে পড়েছে ভক্ত-সমর্থকদের।

জয় এসেছে ঠিকই, কিন্তু বিদায়টা আগেই নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় ভক্ত সমর্থকদের মধ্যেও নেই উচ্ছ্বাস। টেলিভিশনের পর্দাতেও হয়তো চোখটা রাখতেন না অনেকে, যদি না এটা হতো অধিনায়ক হিসেবে কোহলির শেষ ম্যাচ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়কত্বের শুরুটা ঘরের মাঠে হয়েছিল হার দিয়ে, শেষটা হলো জয়েই।

কোহলিকে স্বান্তনা দিচ্ছেন ধোনি?

টসের শুরুতেই কোহলি বলেছিলেন এই দল নিয়ে তিনি গর্বিত। পুরো দল যেভাবে লড়েছে তাতে কোনো আক্ষেপই নেই তার। সব ভুলে দল এগিয়ে যাক এটাই কামনা অধিনায়কের। কিন্তু, সব ভোলা কি এতটাই সহজ! এই দলের জন্য এমন পরিস্থিতি যে এবারেই প্রথমবার! শেষ ম্যাচটাও তো খেলতে নামতে হচ্ছে কোনো লক্ষ্য ছাড়াই!

ছোট ফরম্যাটের এই ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে টসে শেষবার

অধিনায়ক হিসেবে নিজের পঞ্চাশতম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নেমে টসে জিতে কোহলি নিয়েছিলেন ফিল্ডিং। শুরুতে বল যেনো পিচেই পড়তে চাইছিলো না জাসপ্রিত বুমরাহ-মোহাম্মদ শামিদের। নিজের সেরাটা দিয়ে যে লাভ নেই কোনোই, সেজন্যই হয়তো বোলিংয়ের এমন প্রদর্শন। কিন্তু, দলকে চাঙ্গা করতে যে বেশ পটু অধিনায়ক। নিজের কাজটা ঠিকই করেছেন কোহলি।

তিন উইকেট নিয়েছেন জাদেজা

বোলারদের দৃঢ়তায় নামিবিয়াকে আঁটকানো গেছে ১৩২ রানেই। ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন রবীচন্দ্রন অশ্বিন এবং রবীন্দ্র জাদেজা। জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে নয় উইকেটে জয় তুলে নিয়েছে ভারত। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৬ রান এসেছে রোহিত শর্মার ব্যাট থেকে। ৫৪* রানে অপরাজিত ছিলেন লোকেশ রাহুল। এক উইকেটের পতন হলেও ব্যাটিং নামেননি কোহলি, তিন নম্বরে ব্যাট করতে মাঠে এসেছিলেন সুর্যকুমার যাদব।

লক্ষ্যহীন ম্যাচেও দলকে ফুরফুরে মেজাজে রাখার চেষ্টায় কোহলি

কোনো লক্ষ্য না থাকলে এগিয়ে চলাটা কঠিন; কঠিন খেলোয়াড়দের থেকে সেরাটাও বের করে আনা। কিন্তু কঠিন সেই কাজটাই পুরো ম্যাচ জুড়ে দারুণভাবে করেছেন অধিনায়ক। জয়ের পথে দলকে দিয়েছেন সামনে থেকে নেতৃত্ব। নামিবিয়ার উইকেটের পতনে উদযাপন করেছেন কোহলি, চেষ্টা করেছেন পুরো দলকে ফুরফুরে রাখার। অধিনায়ক হিসেবে কোহলি অবশ্য এমনটা করে গেছেন পুরো ক্যারিয়ার জুড়েই।

হতাশা তো চোখে-মুখেই

কিন্তু, নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই যে হতে চলেছে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অধিনায়ক কোহলি যুগের সমাপ্তি। তাই, বিপক্ষ দলের উইকেট পেয়ে কোহলির এমন উদযাপন, পুরো ম্যাচ জুড়েই আগ্রাসন, অধিনায়কত্ব ছাড়ার পরেও এসব থাকবে কি না সেটা সময়ই বলে দিবে। কিন্তু, ছোট ফরম্যাটের এই ক্রিকেটে অধিনায়ক কোহলিকে নিশ্চিতভাবেই মিস করবে ভক্ত-সমর্থকেরা, সেটা অনুমান করাই যায়।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -

সর্বশেষ

- Advertisement -
- Advertisement -spot_img