২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, বৃহস্পতিবার

হাগলি ওভালে রেকর্ড রান তাড়া করে জিততে হবে নিউজিল্যান্ডকে

- Advertisement -

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ অধিনায়ক যা চেয়েছিলেন তার কাছাকাছি নিয়ে গেছেন ব্যাটসম্যানরা। ৬ উইকেটে ২৭১ রান করেছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের জন্য আপাতত দৃষ্টিতে এই রান টপকানো খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা নয়, কিন্তু কঠিন হবে বলছে পরিসংখ্যান। এই মাঠে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জিতার রেকর্ড ২৬১। কেনিয়ার ২৬০ রানের জবাবে ২৬১ করে জিতেছিল স্কটল্যান্ড। এখন দেখা যাক এই মাঠের ইতিহাস বদলাতে পারে কিনা কিউইরা, সেই অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে সবাইকে।

বাংলাদেশের শুরুটা নড়বড়ে করিছেলন লিটন দাস, শক্ত ফিনিশিং দেন মোহাম্মদ মিঠুন। ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। এবারও টস ভাগ্য তামিমের হয়ে কথা বলেনি, তাই কিউইদের সিদ্ধান্তে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ। ডানেডিন থেকে ক্রাইস্টচার্চ। ভয় তাড়া করেছে বাংলাদেশকে। তবে উইকেটটাও বেশ কিছুক্ষণ আলো পাওয়ায় ব্যাটিং সহায়ক হওয়ার ইঙ্গিত ছিল পিচ রিপোর্টে। কিন্তু শুরুতেই গোলমাল পাকান ওপেনার লিটন দাস।

শূন্যতেই মাঠ ছাড়েন। দ্বিতীয় ওভারে ম্যাট হেনরির চতুর্থ বলে পুল করতে গিয়ে শটে থাকা উইল ইয়ংয়ের হাতে ক্যাচ দেন। ডানেডিনের বাতাস যেন টেনে ছিলেন এই ওপেনার। কিন্তু তামিম পণ করেছিলেন খারাপ কিছু হতে দিবেননা আজ। তাই হয়েছে।

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে দেখেশুনে খেলেন তামিম ইকবাল-সৌম্য সরকার। এই জুটি ৮১ রান তোলে। তবে ভালো খেলতে থাকার মধ্যে হঠাৎই ছন্দপতন। মিচেল স্যান্টনারের বলে পুশ করতে গিয়ে স্ট্যাম্পিং হয়ে মাঠ ছাড়েন। ৪৬ বলে ৩টি চার ও একটি ছক্কায় ৩২ করেন এই বাঁহাতি।

তামিম জীবন পান ৩৪ রানে। ১৫তম ওভারে তামিমকে হারাতে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি লাম্বা জেমিসন ফিরতি ক্যাচ নেন। কিন্তু এই পেসার ডাইভ দিয়ে বলটি মাটি ছোঁয়ার আগে তালুতে আটকে ফেলেছিলেন মনে হচ্ছিল। কিন্তু রিপ্লাইতে বেঁচে যান তামিম।

সেখান থেকে ফিফটির ফিফটি পূর্ণ করেন। অধিনায়ক সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। সেঞ্চুরিও বানাতে পারতেন ইনিংসটাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য রান আউটে মাঠ ছাড়েন ৭৮ রানে। ১০৮ বলে তাঁর ৭৮ রানের ইনিংসে ছিল ১১টি বাউন্ডারি। মুশফিকুর রহিমের ডাকে সাড়া দিয়ে দ্রুত একটি রান নিতে গেলে জিমি নিশাম পা দিয়ে বলকে স্ট্যাম্পে লাগান। বাংলাদেশ তখন ৩ উইকেট ১৩৩।

মুশফিক এই ম্যাচেও নিজের ছায়া হয়ে থাকলেন। ৪১তম ওভারে মিচেল স্যান্টনারের বলে বিদায় নেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল । ৫৯ বলে ৩টি চারে ৩৪ রান করেন তিনি।

কিন্তু মিঠুন-মাহমুউল্লাহ জুটিতে শক্ত ভীত পায় বাংলাদেশ। তাদের ৬৩ রানের জুটিতে টাইগাররা লড়াইয়ের পুঁজিও পেয়ে যায়। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা কিউই পেসারদের ভালোই পড়ে নিয়েছিলেন এই ম্যাচের প্রস্তুতি। তাই ত্রাস হতে পারেননি ট্রেন্ট বোল্টরা। মিঠুন-মাহমুদউল্লাহ জুটি ভাঙ্গেন জেমসিন। ১৬ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু মিঠুন থেকে অবিচল, অপরাজিত। ৫৭ বলে করেন ৭৩ রান, ছয় চার ও দুই ছক্কায়। বাংলাদেশ পেয়ে যায় হাগলি ওভালে নিজেদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। ২০১৬ সালে ২৬৪ রান ছিল এর আগের সর্বোচ্চ।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -

সর্বশেষ

- Advertisement -
- Advertisement -spot_img