NCC Bank
- Advertisement -NCC Bank
১৪ আগস্ট ২০২২, রবিবার

২০১৯ বিশ্বকাপের ওপেনিং জুটিকে তাচ্ছিল্য করলেন শিশির

- Advertisement -

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিষয় নিয়েই সরব সাকিব আল হাসানের অর্ধাঙ্গিনী উম্মে আহমেদ শিশির, তবে নিখাদ ক্রিকেটীয় আলোচনা বা সমালোচনায় কখনোই তাঁকে অংশ নিতে দেখা যায়না। তবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের টালমাটাল এই অবস্থায় যখন দর্শক, সমালোচক এমনকি দলের ভেতর-বাহিরেও সমানে কথা চালাচালি হচ্ছে, তখন শিশিরও হয়তো বেশিক্ষণ চুপ করে থাকতে পারলেন না।

তবে এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ব্যর্থতার সমালোচনায় মুখর ব্যক্তিবর্গের দিকে ইঙ্গিত দিতে শিশির তো চলে গিয়েছেন তিন বছর আগে ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে!

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দলের একটি ছবি আপলোড করে তার ওপর শিশির দিয়েছেন একটি ক্যাপশন। ইংরেজী থেকে বাংলা তর্জমা করলে যার অর্থ দাঁড়ায়-

“আমরা কি ২০১৯ বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলতে পারি? আমি মাঝে মধ্যে চিন্তা করি যে কেন আমরা ঐ বিশ্বকাপে ভারত, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারলাম না যেখানে আমাদের ‘স্পিডস্টার’ ও ‘তথাকথিত ‘সেরা ওপেনিং জুটি ছিলো! ঐ ম্যাচগুলিতে কি ভুল হয়েছিলো আমার আগ্রহী মন জানতে চায়। আমার মনে হয় ঐ সময়ও আমাদের কিছু টক শো করা দরকার ছিল যেখানে সেই ভুলগুলি নিয়ে আলোচনা করলে হয়তো আজ আমরা ব্যর্থ হতাম না!” 

শিশিরের ইঙ্গিতটা খুব স্পষ্ট। এই বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশ চরমভাবে ব্যর্থ হচ্ছে,  ২০১৯ বিশ্বকাপেও মোটাদাগে বাংলাদেশ ব্যর্থই ছিলো। সেবারও ওপেনিং জুটিতে তামিম ইকবাল-সৌম্য সরকাররা কিছু করতে পারেননি, এবারও লিটন দাস-নাইম শেখরা পারছেন না। পেস বোলিং ইউনিটে মাশরাফী-মুস্তাফিজ-রুবেলরা সেবার ছিলেন ব্যর্থ, এবারও মুস্তাফিজ-শরিফুল-সাইফউদ্দিনরা ব্যর্থ।
আবার, ঐ বিশ্বকাপে তাঁর স্বামী সাকিব আল হাসানই হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ ও অন্য দলগুলোর মধ্যেকার পার্থক্যের নাম। সাকিবের ৬০৬ রান ও ১১ উইকেটই বাংলাদেশ ঐ বিশ্বকাপে যেটুকু এগিয়েছিলো তার অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছিলো। এবারো দলে একমাত্র সাকিবই ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করছেন, আর কেউ পারছেন না।
সব মিলিয়েই হয়তো শিশির সমালোচক বা খোদ নীতিনির্ধারকদের দিকে ইঙ্গিত করেছেন যে, ২০১৯ বিশ্বকাপের পর থেকেই যদি এই দুই বিভাগ ঢেলে সাজানো হত তাহলে আজ বাংলাদেশ এমন ব্যর্থতার সম্মুখীন হত না। হয়তোবা তিনি এটিও বুঝিয়েছেন যে, ২০১৯ ও ২০২১- দুই ক্ষেত্রেই তাঁর স্বামী সাকিবই একমাত্র আপন মহিমায় ভাস্বর আছেন, বাকি সব আগের মতোই আছে, বা আগের চেয়ে খারাপ হয়েছে।
তবে এই ইঙ্গিত দিতে গিয়ে ২০১৯ বিশ্বকাপে তামিম ইকবাল (যিনি কিনা সাকিবের দীর্ঘদিনের কাছের বন্ধু) ও সৌম্য সরকারকে ‘তথাকথিত সেরা’ বলে খানিকটা ‘তাচ্ছিল্য’ই করে ফেলেছেন শিশির, মাশরাফী মুস্তাফিজদের  ‘স্পিডস্টার’ বলাটাও কি তাচ্ছিল্যেরই শামিল নয়?
হ্যাঁ এটি তাঁর নিজস্ব মতামত, তবে দলের সেরা তারকার স্ত্রী হিসেবে শিশিরের এমন তীব্র ভাষায় দলের সাবেক সদস্যদের সমালোচনা কতোটুকু কাম্য বা সঠিক, সেটা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন তোলাই যায়।
- Advertisement -spot_img
- Advertisement -

সর্বশেষ

- Advertisement -
- Advertisement -spot_img