১৪ জুলাই ২০২৪, রবিবার

৭ম উইকেট জুটিতে “দ্বিতীয় সেশনে” এগিয়ে শ্রীলংকা!!

- Advertisement -

পাল্লেকেলেতে দ্বিতীয় সেশনেও দাপট ধরে রেখেছেন বাংলাদেশের বোলাররা। প্রথম সেশনে ৩ উইকেটের পর দ্বিতীয় সেশনে ২ উইকেট তুলেছে বাংলাদেশ। নিশাঙ্কাকে বোল্ড করেছেন তাসকিন, উইকেটে জমে যাওয়া ফার্নান্দোকে ফিরিয়েছেন মিরাজ। কিন্তু ৭ম উইকেটে নিরোশান ডিকওয়েলা আর রমেশ মেন্ডিসের ৪৩ রানের জুটিতে এগিয়ে থেকেই চা বিরতিতে গেছে শ্রীলংকা, দলের রান ৬ উইকেটে ৪২৫।

সৌজন্য: বিসিবি ও শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ড

পাল্লেকেলে টেস্টের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনেও রান আটকানো বোলিংয়ের চেষ্টা করে গেছেন বাংলাদেশী বোলাররা। সেই চেষ্টায় সফলও হয়েছেন তাসকিন-তাইজুল-মিরাজরা। কতটুকু সফল সেটা বোঝাতে ছোট একটা উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। লাঞ্চ ব্রেকের সময় ওশেদা ফার্নান্দো নটআউট ছিলেন ছিলেন ৬৫ রানে, ততক্ষণে খেলেছিলেন ১৭২ বল। যখন আউট হয়েছেন, তখন তার নামের পাশে একাশি, ২২১ বলে। অর্থ্যাৎ সেট হওয়া ব্যাটসম্যানও খুব সহজে রান করতে পারেননি। এই কৃতিত্ব অবশ্যই তাসকিনের, মিরাজ-তাইজুলদের।

দ্বিতীয় সেশনে টাইগারদের প্রথম সাফল্য তাসকিন আহমেদের ইনসুংয়ে। গুড লেন্থ থেকে সামান্য নিচু হওয়া ইনসুইংয়ে বোল্ড আউট হন ১০ রানে তাইজুলের হাতে জীবন পাওয়া পাথুম নিশাঙ্কা, ভাঙ্গে নিশাঙ্কা-ফার্নান্দোর ৫৪ রানের জুটি। তাসকিনের ওই উইকেট যেমন খুশির কারণ, তেমনই শঙ্কারও। উইকেটের বাউন্সে তারতম্য দেখা যাচ্ছে, প্রথম সেশনে যে লেন্থের বল স্ট্যাম্পের ওপর পর্যন্ত পৌঁছেছে; দ্বিতীয় সেশনে মাঝেমধ্যেই একই ধরণের বল নিচু হয়েছে। অনেক বল না, কিন্তু হয়েছে। উইকেটে বাউন্সের এই তারতম্য সময়ের সাথে আরো বাড়বে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাতে ভোগান্তিতে পরতে পারে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা।

সৌজন্য: বিসিবি ও শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ড

বাউন্সের তারতম্যের সাথে যোগ হয়েছেন স্পিন। তাইজুলের অনেকগুলো ডেলিভেরি এমনভাবে বাক নিয়েছে, যা রীতিমতো স্পিনারদের জন্য ভাল কিছুর ইঙ্গিত। সেই বলগুলোতে টার্নের সাথে শার্প বাউন্সও ছিলো চোখে পরার মতো। যে কারণে সেট ব্যাটসম্যান হয়েও তাইজুলকে সামলাতে গিয়ে বেশ ভুগেছেন ওশেদা ফার্নান্দো। যার অনিবার্য পরিণতি ছিলো উইকেট দিয়ে আসা। যদিও তাইজুল না, ফার্নান্দোকে আউট করেছেন মেহেদী মিরাজ। অফস্ট্যাম্পের বেশ বাইরের বল প্যাডল সুইপ খেলতে গিয়ে লাইন মিস করেছেন, বলটাও তুলনামূলকভাবে একটু বেশি লাফিয়েছিলো। দারুণ দক্ষতায় ক্যাচ ধরেছেন লিটন দাশ। কেননা, ফার্নান্দোকে সুইপ খেলতে দেখে একটু আগেভাগেই নিজের বাঁমদিকে চলে গিয়েছিলেন লিটন। এক্ষেত্রে লিটনের ভাবনার প্রশংসা করতেই হবে।

সৌজন্য: বিসিবি ও শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ড

পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত রান করার চেষ্টা করতে থাকেন নিরোশান ডিকওয়েলা। পজিটিভ ব্যাটিংয়ে বাউন্ডারি যেমন বের করেছেন, একইসাথে নিয়েছেন এক, দুই। ৭ম উইকেটে ৫০ বলেই রান ওঠে ৪২!!  ডিকওয়েলা – মেন্ডিস জুটিতেই মূলত আবার গতি পেয়েছে লংকান ইনিংস। দ্বিতীয় সেশনে রান হয়েছে ৯১, খেলা হয়েছে ৩০ ওভারে। উইকেটের কথাতো আগেই পড়েছেন।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -

সর্বশেষ

- Advertisement -
- Advertisement -spot_img